॥ নজরুল ইসলাম তোফা, রাজশাহী ॥

পরিবেশ দূষণের ফলে সারা বিশ্বের প্রাণী জগৎ এবং জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে। তাই পরিবেশ সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নানা প্রান্তে গিয়ে পরিবেশ রক্ষায় নানা পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। পরিবেশ সুরক্ষায় বিনিয়োগ বিকাশের উদ্যোগে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়।

বলা যায়, শেখ হাসিনার এমন উদ্যোগ বাস্তবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের আত্মসামাজিক উন্নয়নে একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হবে। আজ প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাড়ির আঙিনায় ঠাই পাচ্ছে বৃক্ষরাজি। প্রধানমন্ত্রীর এমন কাজে খুশি হয়ে ইউনিস্কো ২০১৪ সালে স্বীকৃতি হিসেবে শেখ হাসিনাকে ‘শান্তি বৃক্ষ’ সন্মাননা প্রদান করেন।

সারা বিশ্বে নারীদের ক্ষমতায়নে জোরালো ভূমিকা রাখার কারণে বাংলাদেশ আজ এক অনন্য দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় গৃহীত এক উদ্যোগের ফলে ২০১৫ সালে জাতি সংঘ স্বীকৃতি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ ’ সন্মাননা প্রদান করেন। এ সন্মাননা শুধু দেশের জন্য গৌরব নয় সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এক বিশেষ স্থান দখল করেছে।

‘শান্তি বৃক্ষ ’ সন্মাননা নেওয়ার পর শেখ হাসিনা তার অভিব্যক্তিতে বলেছেন, ২০১৫ সালের পরবর্তী সময়ে মধ্যেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রার আলোকে রূপকল্প ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্রে বাংলাদেশকে পরিণত করা হবে।

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, জলবায়ু পবির্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এমন সময়ে শেখ হাসিনার সাহসী এবং বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্বে দিয়ে জলবায়ু মোকাবেলায় নানামূখী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তার এমন গুণী নেতৃত্বের কারণে উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা এবং জার্মানী পরিবেশ সুরক্ষায় তহবিল গঠনে রাজী হয়েছে। শেখ হাসিনার এ উদ্যোগ সারা বিশ্বের কাছে প্রশংসা কুঁড়িয়েছে।

পরিশেষে একটি কথা বলা যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাবে এবং ২০২১ সালের ক্ষুদ্রা ও দরিদ্র মুক্ত মধ্যম আয়ের দেশএবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হোক এটাই কাম্য।