স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: সরকারের গৃহিত উন্নয়ন কাজে প্রতিনিয়ত বাঁধা গ্রস্থ ও সামাজিক এবং রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে গত বুধবারে রাতের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্র বলে সাংবাদিকদের জানালেন রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম।

তিনি আরো বলেন, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের কাঠালতলীস্থ লেকার্স স্কুল এলাকার বাসায় তিনি বসে পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে টিউবওয়েল বসানোর বিষয়ে সদর দরজা খোলা রেখেই ছাত্রলীগের জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুর আলমকে নিয়ে প্রশাসনিক কাগজপত্রগুলোর পর্যালোচনা করছিলেন।

এসময় হঠাৎ পাশের বাড়িতে থাকা মেজবাহ উদ্দিন বাসায় ঢুকে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে বাইরে থেকে সদর দরজা বন্ধ করে দিয়ে চিৎকার করে এলাকার মানুষ ও সাংবাদিকদের ডেকে বিষয়টি অসামাজিক এবং ভিন্ন খাতে প্রভাবিত ও আমাকে হেয় করার ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়।

পরে কোতয়ালীর ওসিকে বিষয়টি জানালে তিনি পুলিশ পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করেন বলে জানান।

নাসরিন ইসলাম বলেন, যেহেতু আমি জনপ্রতিনিধি নানান সহযোগীতা চেয়ে আমার কাছে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আসতেই পারে। তাই বলে এটাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে এভাবে হেয় করা হবে আমার চরিত্র হনন করা হবে এটাতো মানা যায় না। ষড়যন্ত্র করে আমার চরিত্র নিয়ে আমাকে প্রশাসন, সমাজ এবং রাজনৈতিক ভাবে হেয় করা হচ্ছে। এ ঘটনার সাথে ৪/৫ জন জড়িত বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসন থেকে গৃহিত প্রকল্পের মধ্যে আমার এলাকার জনসাধারনের উন্নয়নের জন্য কিছু প্রকল্প আমাকে দেয়া হয়েছে যার মধ্যে ৯টি ওয়ার্ডে পানির টিউবওয়েল বসানোর প্রকল্প। মূলত এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বাসায় গেষ্ট রুমে বসে নুর আলমকে নিয়ে কাজের স্থান যাঁচাই বাচাই করা হচ্ছিল।

তিনি বলেন, প্রশাসনের কাছে এ হীন কর্মকান্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করে গত বৃহস্পতিবার কোতয়ালী থানায় শ্লীলতাহানী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেজবাহ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন কায়সার, ইমরোজ উদ্দিন এবং হাবিবুর রহমান বাপ্পিকে দায়ি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সকলকে অবগত করতে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হবে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) কবির হোসেন বলেছেন, ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।