স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

বাঘাইছড়ি: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও খাগড়াছড়ি দিঘিনালা সীমান্তবর্তী মেরং ইউনিয়ন এলাকার ৪ কিলো বাঙ্গালী পাড়া গ্রামে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০ টি পরিবার, নারী, শিশু ও বয়ষ্কসহ ৩০ জন বাসিন্দা হামে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবন জাপন করছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা ।

এদের মধ্য শামিম, সেকান্দার আলী, গেদাসহ ৫ পরিবারের সদস্যদের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। বয়ষ্কদের তুলনায় বেশী আক্রান্ত শিশুরা। সীমানা জটিলতায় দিঘিনালা ও বাঘাইছড়ির মাঝখানে পড়ে এখন চিকিৎসা বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার হতদরিদ্র খেটে খাওয়া এই পরিবার গুলো।

২২ এপ্রিল বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গ্রামের ১২ শিশু ও বয়স্ক মিলে ৩০ সদস্যদের গায়ে বড় বড় ফুসকা জ্বর, শরীল ব্যাথা নিয়ে কাত্রাচ্ছেন । বসত বাড়ী ও ভোটার খাগড়াছড়ি দিঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নে হলেও পড়াশোনা ও চলাচল, হাটবাজার সবি হয় বাঘাইছড়ি উপজেলায় এমন অবস্থায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উক্ত গ্রামের শতাধিক বাসিন্দা, টিকার আওতায়ও আসেনি কখনো।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইফতেখার আহম্মেদ বলেন আমরা সংবাদ পেয়েছি কিছু লোক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। সীমানা জটিলতায় আমরা ওখানে গিয়ে সেবা দিতে পারছিনা। কেউ যদি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসে আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিবো। হামের বিষয়ে আমাদের রিপোর্ট করতে হয় দিঘীনালার মধ্যে পড়ায় আমরা তাও করতে পারছিনা।

দিঘিনালা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তনয় তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমাদের এলাকাটির বিষয়ে ধারনা নেই। আমরা খোজ নিয়ে ব্যবস্থ্যা গ্রহনের চেষ্টা করবো।

এদিকে দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে হামে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্করা। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা না হলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে এলাকার শতাধিক বাসিন্দা। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জোরদাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।