॥ ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই ॥

কাপ্তাইয়ের রাইখালী বাজার এলাকার শশ্মান সংলগ্ন হেডম্যান উচিংথোয়াই চৌধুরী বাবলু এবং মোয়াজ্জম হোসেন চৌধুরীর ২ টি পাহাড়ে কে বা কাহারা সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১১.৩০ টায় আগুন লাগিয়ে দেয়।

মূহুর্তের মধ্যে সমস্ত পাহাড়ে আগুন ছড়িয়ে যায়। স্হানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল ১১ টার পর তারা পাহাড়ে আগুন দেখতে পাই এবং স্হানীয় জনগণ এসে ঘন্টাখানিক পর আগুন নিভিয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনেন।

পাহাড়ে আগুন লাগার কিছুক্ষণ এর মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল, চন্দ্রঘোনা থানার ওসি নাছির উদ্দিন, রাইখালী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এনামুল হক, ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল মুঠোফোনে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসকে ঘটনাস্থলে আসার জন্য খবর দেন। দুপুর ১২.৪০ এর দিকে ঘটনাস্থলে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট এসে দুপুর ২.১০ টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ২ টি পাহাড়ে বড় গাছ না থাকায় তাৎক্ষনিক ভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পাহাড়ের সংলগ্ন বাড়ীঘর থাকায় স্হানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতংক দেখা দেয়।

আশেপাশের অনেক মহিলারাও পাহাড়ে উঠে আগুন নেভাতে সহায়তা করেন। ঘটনাস্থল কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল এই প্রতিবেদককে জানান, এইভাবে অনেকে পাহাড়ে শুকনো পাতায় আগুন লাগিয়ে দিয়ে জুম চাষ করতে চাই, কিন্ত এই সমস্ত ঘটনায় জনবহুল এলাকায় হওয়ায় আশেপাশের বাড়ী ঘরে আগুন ধরে যেতে পারে, তাই তিনি সকলকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দেন।

এই ব্যাপারে ঘটনাস্হলে উপস্হিত স্হানীয় হেডম্যান উচিংথোয়াই চৌধুরীর ছোটভাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্হার যুগ্ম সম্পাদক থোয়াইচা প্রু চৌধুরী রুবেল জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোন পেয়ে আমি ঘটনাস্থল এ যায়। তিনি জানান, আমরা আগুন লাগার জন্য কাউকে বলি নাই এবং কে লাগিয়েছে সেটা আমরা অবগত নই। চন্দ্রঘোনা থানার ওসি আশরাফ উদ্দিন জানান, এই বিষয়ে পাহাড় দুটোর মালিক থানায় অভিযোগ করেন নাই।